FUN with English

১। 80 কে letter marks বলা হ্য় কারণ L=12, E=5,
T=20, T=20, E=5, R=18(অক্ষরের অবস্হানগত সংখ্যা)
সুতরাং 12+5+20+20+5+18=80
২।ইংরেজি madam ও reviver
শব্দকে উল্টো করে পড়লে একই হবে।
৩। “a quick brown fox jumps over the lazy dog”
বাক্যটিতে ইংরেজি ২৬টি অক্ষর আছে।
৪। “ i am” সবচেয়ে ছোট ইংরেজি বাক্য।
৫। “Education” ও “Favourite” শব্দে সবগুলো vowel
আছে।
৬। “Abstemious ও Facetious ”
শব্দে সবগুলো vowel আছে। মজার ব্যাপার হল শব্দের
vowel গুলো ক্রমানুসারে ( a-e-i-o-u) আছে।
৭। ইংরেজি Q দিয়ে গঠিত সকল শব্দে Q এ পরে u আছে।
৮। Queueing এমন একটি শব্দ যার মধ্যে ৫টি vowel
একসঙ্গে আছে।
৯। একই অক্ষরের পুনরাবৃত্তি না করে সবচেয়ে দীর্ঘ শব্দ
হল Uncopyrightable।
১০। Rhythm সবচেয়ে দীঘ ইংরেজি শব্দ যার মধ্যে vowel
নাই।
১১। Floccinaucinihilipilification
সবচেয়ে বেশি vowel সমৃদ্ধ শব্দ যাতে ১৮টি vowel আছে।
১২। vowel যুক্ত সবচেয়ে ছোট শব্দ হল A (একটি) ও I
(আমি) ।
১৩। vowel বিহীন সবচেয়ে ছোট শব্দ হল By।
১৪। গুপ্তহত্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Assassination
মনে রাখার সহজ উপায় হল গাধা-গাধা-আমি-জাতি।
১৫। Lieutenant শব্দের উচ্চারণ লেফট্যান্যান্ট বানান
মনে রাখার সহজ উপায় হল মিথ্যা-তুমি-দশ-পিপড়া।
১৬। University লেখার সময় v এর পরে e ব্যবহৃত কিন্তু
Varsity লেখার সময় v এর পরে a ব্যবহৃত হয়।
১৭। “Uncomplimentary” শব্দে সবগুলো vowel আছে।
মজার ব্যাপার হল শব্দের vowel
গুলো উল্টো ক্রমানুসারে ( u-o-i-e-a) আছে।
১৮। “Exclusionary” ৫টি vowel সমৃদ্ধ এমন একটি শব্দ
যার মধ্যে কোন অক্ষরের পূনারাবৃত্তি নাই।
১৯।”study, hijak, nope, deft” শব্দগুলোর প্রথম ৩
টি অক্ষর ক্রমানুসারে আছে।
২০। “Executive ও Future“এমন দুটি শব্দ যাদের এক
অক্ষর পর পর vowel আছে।
২১। Mozambique এমন একটি দেশের নাম
যাতে সবগুলো vowel আছে।
২২। A1 একমাত্র শব্দ যাতে ইংরেজী অক্ষর ও
সংখ্যা আছে।
২৩৷ Stewardesses হল সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ
যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু বাম হাত ব্যবহৃত হয়।
২৪৷ Dreamt একমাত্র ইংরেজি শব্দ যার শেষে mt আছে ।
২৫৷ ইংরেজিতে ৩টি শব্দ আছে যাদের শেষে ceed আছে ।
সেগুলো হলঃ proceed , exceed , succeed
২৬৷ Almost সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ যার
বর্ণগুলো ক্রমানুসারে আছে ।
২৭। ইংরেজিতে মাত্র ৪টি শব্দ আছে যাদের শেষে dous
আছে। এগুলো হলঃ tremendous , horrendous ,
stupendous , hazardous
২৮।Lollipop হল সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ
যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু ডান হাত ব্যবহৃত হয়।
২৯। screeched হল এক syllable বিশিষ্ট সবচেয়ে বড়
ইংরেজি শব্দ।
৩০। Underground এমন একটি শব্দ যা প্রথম ৩টি অক্ষর
und শেষেও রয়েছে।
৩১। set শব্দের সবচেয়ে বেশি অর্থ রয়েছে।
৩২। therein এমন একটি শব্দ যা থেকে কোন রকম
সাজানো ছাড়াই ১০টি নতুন শব্দ তৈরী করা যায়।
সেগুলো হলঃ the, there, he, in, rein, her, here,
ere, therein, herein
৩৩। Typewriter সবচেয়ে বড় ইংরেজি শব্দ
যা কিবোর্ডে লিখতে শুধু উপরের সারি ব্যবহৃত হয়।
৩৪।indivisibility এমন একটি শব্দ যাতে একটি মাত্র
vowel i ৬ বার আছে।
৩৫। Bookkeeper শব্দে ৩ জোড়া অক্ষর oo,kk,ee
পাশাপাশি আছে।
৩৬।understudy এমন একটি শব্দ যাতে ৪টি ক্রমিক
অক্ষর rstu আছে।
৩৭। queue একমাত্র ইংরেজি শব্দ যার শেষের ৪ অক্ষর
বাদ দিলেও একই উচ্চারণ হয়।

———————————————————————————————

সূত্র:ফেসবুক

Advertisements

Bangla Jokes: 02

মানসিক ডাক্তারের কাছে গেছেন এক রোগী।
ডাক্তার: কী সমস্যা আপনার?
রোগী: আমার নিজেকে একটা মুরগি মনে হয়।
ডাক্তার: কবে থেকে আপনার এ সমস্যা?
রোগী: যখন আমি ডিম ছিলাম, তখন থেকেই!

 

একবার ক্লাস এ পরীক্ষা চলছে ; যে শিক্ষক হল পরিদর্শনে আছেন পুরো হল এ চক্কর দিচ্ছেন ছাত্ররা বিন্দুমাত্র সুযোগ পাচ্ছেনা দেখা দেখি বা কথা বলার। ঠিক এই সময় এক ছাত্র শিক্ষক কে একটা চিরকুট ধরিয়ে দিলো সাথে সাথে শিক্ষক তার চেয়ার এ গিয়ে চুপচাপ বসে পড়লেন!! কি ছিল চিরকুট এ?? …।
“স্যার আপনার প্যান্ট পিছন থেকে ফাটা

 

বাবা আর ছেলে মার্কেটে গেছে। হঠাৎ ছেলে দেখে বাপের প্যান্টের চেইন খোলা!
ছেলেঃ বাবা, বাবা, তোমার প্যান্টের চেন খোলা!
বাবাঃ স্টুপিড, এভাবে বলতে নেই। বলতে হয়, “তোমার মেকআপ বক্স খোলা”
পরের দিন একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি—–
ছেলেঃ বাবা, তোমার লিপস্টিক বের হয়ে গেছে।

 

আনিস সাহেব একদিন হাটতে হাটতে দেখে একটি মেয়ে ব্রিজ থেকে লাফ দিতে যাচ্ছে।
আনিস সাহেব জিজ্ঞাস করলঃ আপনি কি আত্মহত্যা করতেছেন ???
মেয়েটাঃ হ্যাঁ…!!!
আনিস সাহেবঃ আপনি তো আত্মহত্যাই করতেছেন, তাই আমি কি আপনাকে একটা Kiss করতে পারি?
মেয়েটা রাজি হল, আনিস সাহেব Kiss করল।
Kiss করে জিজ্ঞাস করল আনিস সাহেবঃ আপনি কেন আত্মহত্যা করতেছেন ???
মেয়েটাঃ দেখুন, আমার কি দোষ, আমি ছেলে বলে কি মেয়েদের মতো কাপড় পড়ে একটু সাঁজতে পারি না, আজব, আমি মেয়েদের মতো কাপড় পড়তে চাই, কিন্তু আমার Family থেকে দেয় না, তাই এই জীবন আর রাখব না……!!!
কথাটা শুনে আনিস সাহেব নিজেই ব্রিজ থেকে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করল……!!!

 

একটি ছোট ছেলে একটি চাকু নিয়ে তার হাতে তার গার্লফ্রেন্ডের নাম লিখল।
কয়েক মিনিট পর সে জোরে কাঁদতে লাগল
কেন? ব্যাথা করছে?

না !
তাহলে?

বানান ভুল হইসে !!!

 

এক ভদ্রমহিলা গেছেন ডাক্তারের কাছে—
ভদ্রমহিলা: ডাক্তার সাহেব, আমার দুটো কান পুড়ে গেছে।
ডাক্তার: হুম্, দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু কীভাবে পুড়ল?
ভদ্রমহিলা: আমি আমার স্বামীর শার্ট ইস্ত্রি করছিলাম। হঠা ৎ ফোন এল। আমি ফোন না তুলে ভুল করে ইস্ত্রিটা তুলে কানে লাগিয়ে ফেলেছিলাম।
ডাক্তার: বুঝলাম, কিন্তু অন্য কানটা পুড়ল কীভাবে?
ভদ্রমহিলা: লোকটা যে আবারও ফোন করেছিলএক ভদ্রমহিলা গেছেন ডাক্তারের কাছে—
ভদ্রমহিলা: ডাক্তার সাহেব, আমার দুটো কান পুড়ে গেছে।
ডাক্তার: হুম্, দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু কীভাবে পুড়ল?
ভদ্রমহিলা: আমি আমার স্বামীর শার্ট ইস্ত্রি করছিলাম। হঠা ৎ ফোন এল। আমি ফোন না তুলে ভুল করে ইস্ত্রিটা তুলে কানে লাগিয়ে ফেলেছিলাম।
ডাক্তার: বুঝলাম, কিন্তু অন্য কানটা পুড়ল কীভাবে?
ভদ্রমহিলা: লোকটা যে আবারও ফোন করেছিল

 

একদিন ঘর মুছতে গিয়ে কাজের মহিলা বেগম সাহেবার
খাটের নীচে ব্যবহৃত কনডম পড়ে থাকতে দেখলো।

সে বেগম সাহেবা কে এটা কী তা জানতে চাইল।

বেগম : কেন? তোর জামাই কখনো তোর সাথে ওইসব
করে না?

… কাজের মহিলা : করে। কিন্তু তার ওইটার
চামড়া তো কহনো খুইল্লা পড়ে না।

 

পাপ্পুদের পাশের ফ্লাটে নতুন ভাড়াটিয়া এসেছে।

ভাড়াটিয়ার আবার সুন্দরী একটা মেয়েও আছে।
একদিন সেই মেয়ে টি-শার্ট পরে বের হলো। পাপ্পু দেখলো মেয়েটার টি-শার্টে চমৎকার একটি গাড়ীর ছবি আঁকানো। সেদিকে একদৃষ্টিতে পাপ্পুকে তাকিয়ে থাকতে দেখে মেয়েটি জিজ্ঞেস করল-

“কি ভাই, টি-শার্টে গাড়ী আগে কখনো দেখেন নি?”

পাপ্পু তোতলাতে তোতলাতে…জি, গাড়ী তো দেখেছি কিন্তু এতো বড় বড় হেডলাইট তো আগে দেখি নাই!!”

 

এক মহিলা ডাক্তার পাগলাগারদে এক পাগলকে বল্ল : “আমার ওড়না খুলো”
পাগল তাই করলো।
ডাক্তারঃ ” আমার কামিজ খুলে ফেলো “
পাগল ডাক্তারের কামিজ খুলে ফেললো !!!!
ডাক্তারঃ “এবার আমার সালোয়ার খুলো !!!!! “
পাগল তাও খুলে ফেল্ল।
এরপর ডাক্তার পাগলকে বল্ল : “আর কোনদিন যাতে আমার কাপড় পড়তে না দেখি… ঠিক আছে??”
পাগল বল্ল : ঠিক আছে !

 

একজন মেয়ে আসল কাপড় ক্রয় করতে ।
মেয়ে: ভাই এই জামাটার দাম কত?
দোকানদার: চালাকি করে বললেন ৫ টা kiss ।
ময়ে: ঐ জামাটার দাম কত?
দোকানদার: ১০ টা kiss.
মেয়ে: ২টাই প্যাকেট করে দিন ।আমাদের কজের বুয়া বিল দিয়ে যাবে ।

 

শিক্ষক: ওয়াদা করো সিগারেট পান করবে না
ছাত্ররা: ওকে স্যার, পান করবো না।
শিক্ষক: মেয়েদের পিছে ঘুরবেনা
ছাত্ররা: ঘুরবো না।
…শিক্ষক: ওদের ডিস্টার্ব করবে না।
ছাত্ররা: ওকে, ডিস্টার্ব করবো না
শিক্ষক: দেশের জন্য জীবন কোরবান করবে।
ছাত্ররা: অবশ্যই স্যার, এই রকম পানসে জীবন দিয়া করবই বা কি।

 

যখন কেউ আপনাকে কষ্ট দেয়,
কাদবেন না….!!!!
কারন ………
কান্নাকাটি করতে পেশি ব্যবহৃত হয় ৪৯টা…
হাসতে লাগে ১২টা আর…
… থাবড়াইতে লাগে ৬টা…!!!!!
সুতরাং কেউ আপনারে আঘাত দিলে……
কান্না কাটি না কইরা…

ঘুরাইয়া থাবড়া মারেন……!!!!!
শক্তি বাচান…!!!

 

অতি আধুনিক মা তার টিনএজ মেয়ে কে বুঝাচ্ছে-

মাঃ যদি কোন ছেলে তোমার বুকে হাত দেয় তাইলে তুমি বলবা ‘don’t’। আর যদি কেউ তোমার নিচে (?) হাত দেয় তাইলে তুমি বলবা ‘stop’।

কিছুদিন পর……

মেয়েঃ মা একটা ছেলে আমার বুকে আর নিচে এ হাত দিছিল, আমি তাকে নিষেধ করসি কিন্তু সে এরপর আরো জোরে জোরে আমার বুকে আর নিচে হাতাতে লাগল।

মাঃ তুমি কি বলছিলা???

মেয়েঃ ছেলেটা আমার বুক আর নিচে একসাতে হাত দিচ্ছিল তো, তাই তাকে আমি বলসিলাম ‘don’t’ ‘stop’।

 

 

______________________________________________________________________________

Collected from Internet

Bangla Jokes: 01

১. কম্পিউটার অনেকটা মানুষের মতোই। মাত্র একটিই পার্থক্য—এটি নিজের দোষ অন্য কম্পিউটারের ঘাড়ে চাপাতে পারে না।

২. একটি বই থেকে নিয়ে লিখলে সেটা হয় চুরি। আর কয়েকটা বই থেকে নিয়ে লিখলে সেটা হয় গবেষণা।

৩. প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হলেন তিনি, যাঁর বৃদ্ধি ওপর ও নিচ এ দুই প্রান্ত থেকে থেমে গেছে, কিন্তু পাশে বাড়ছে।

৪. হে প্রভু, আমাকে ধৈর্য দাও। এখনই দাও। এক্ষুনি।

৫. নির্বোধের সঙ্গে তর্কে যেয়ো না। সে তোমাকে নিজের পর্যায়ে নামিয়ে আনবে এবং নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তোমাকে হারিয়ে দেবে।

৬. মানুষ মাত্রেরই ভুল হয় কিন্তু অফিস মাত্রই তা ক্ষমা করে না।

৭. আমি আমার দাদার মতো ঘুমের মধ্যে শান্তিতে মরতে চাই, তাঁর বাসের যাত্রীদের মতো চিত্কার করতে করতে নয়।

৮. শিশুর সংজ্ঞা হলো—যাদের জন্মের পর প্রথম দুই বছর চলে যায় হাঁটা আর কথা শেখায় এবং তার পরের ১৬ বছরই কেটে যায় তাদের মুখ বন্ধ রাখা আর স্থির হয়ে বসা শেখায়।

৯. আপনার যথেষ্ট পরিমাণ টাকা আছে, শুধু এটা বোঝাতে পারলেই আপনি কোনো ব্যাংক থেকে টাকা ধার পেতে পারেন।

১০. যদি তোমার মনে হয় যে তুমি বেঁচে আছ নাকি মরে গেছ, তা নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথা নেই, তাহলে এক-দুই মাস বাড়ি ভাড়া দেওয়ার কথা ভুলে গিয়ে দেখ।

১১. ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে পড়লেই কেবল আমরা উপসংহারে পৌঁছাই।

১২. কখনো কোনো পরিস্থিতিতেই ঘুমের ওষুধ আর জোলাপ একসঙ্গে খাবেন না।

১৩. সন্ধ্যার খবর শুরু করা হয় ‘শুভ সন্ধ্যা’ বলে। এরপর একে একে বলা হয় সন্ধ্যাটি কেন শুভ নয়।

১৪. যদি বলো আকাশে চার বিলিয়ন তারা আছে, তাহলে না গুনেই সবাই সেটা বিশ্বাস করবে। কিন্তু যদি বলা হয়, মাত্র রং করেছি, চেয়ারের রংটা এখনো শুকায়নি, তাহলে সবাই হাত দিয়ে দেখবে।

১৫. লক্ষ্যভেদ করতে চাইলে প্রথমে তীর ছোড়ো, তারপর যেটায় লাগে সেটাকেই লক্ষ্যবস্তু হিসেবে প্রচার করো।

১৬. সময় খুবই ভালো উপশমক, কিন্ত রূপসজ্জাকর হিসেবে খুবই খারাপ।

১৭. আতিথেয়তা এমন একটি গুণ, যার কারণে অতিথিরা ভাবে, যেন তারা নিজের বাড়িতেই আছে।

১৮. আমি কাজ খুব ভালোবাসি। কাজ আমাকে আকৃষ্ট করে। আর তাইতো আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে কাজের দিকে শুধু তাকিয়েই থাকি।

১৯. একজন সেলসম্যান হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি এমনভাবে আপনাকে নরকে যেতে বলবেন যে আপনি যাত্রার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবেন।

২০. একটি কার্ডের লেখা: তুমি ছাড়া জীবনটা খুবই দুঃসহ। মনে হচ্ছে, তুমি এখনো আমার সঙ্গেই আছ।

২১. সব পুরুষই বোকা, আর আমি তাদের রাজাকে বিয়ে করেছি।

২২. মৃত্যু বংশানুক্রমিক একটা ব্যাপার।

২৩. পুরুষেরা কি ঘরের কাজে সাহায্য করে?

—করে। মেয়েরা যখন ঘর পরিষ্কার করে, তখন তারা পা তুলে বসে।

২৪. পৃথিবীতে তিন ধরনের মানুষ আছে—১. যারা গুনতে পারে। ২. যারা গুনতে পারে না।

২৫. মানুষ যতদিনে বুঝতে পারে যে তার বাবা ঠিক কথাই বলত, ততদিনে তার ছেলে বড় হয়ে তার ভুল ধরতে শুরু করে।

২৬. হে প্রভু, যদি আমার ওজন না-ই কমে, তাহলে আমার বন্ধুদের মোটা বানিয়ে দাও।

২৭. ‘সংক্ষেপকরণ’ শব্দটি নিজে এত লম্বা কেন?

২৮. অনেক ভালোবাস? তাহলে তাজা গোলাপ ২৪ ক্যারেট সোনার ভেতর সিলমোহর করে পাঠাও।

২৯. সেদিন একটি মেয়ে আমাকে ফোন করে বলল, ‘চলে এস, বাড়িতে কেউ নেই।’ তার দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে দেখি সেটি একটি পোড়োবাড়ি। সেখানে আসলেই কেউ থাকে না।

৩০. হাই! আমি ভাইরাস। আপনার মস্তিষ্কে ঢুকতে যাচ্ছি। ওয়েট! মস্তিষ্ক খুঁজছি…খুঁজছি…সরি, আপনার কোনো মস্তিষ্ক খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমি চললাম। বাই!

৩১. বান্দরবান ঘুরে আসার পর এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করল, কি রে, বান্দরবানে প্রাকৃতিক দৃশ্য কেমন দেখলি? জবাবে আরেক বন্ধু বলল, ‘আরে দূর, পাহাড়ের জন্য কিছুই দেখতে পারিনি।’

৩২. আলঝেইমার (কিছু মনে না থাকার রোগ) রোগ হওয়ার একটি সুবিধা আছে। রোজই আপনি নতুন নতুন বন্ধু পাবেন।

৩৩. যে লোক দুই কানে তুলা গুঁজে রাখে, তাকে কী বলা যায়?

—তাকে যা ইচ্ছা তাই বলা যায়।

৩৪. মনে করি, A হলো একটি সফল জীবন। A=x+y+z, এখানে x=কাজ, y=খেলা, z=মুখ বন্ধ রাখা।

৩৫. প্লেনে উঠে বিমানবালাকে বললাম, ‘আমার একটি ব্যাগ নিউইয়র্কে, একটি ব্যাগ লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং আরেকটি মায়ামিতে পাঠিয়ে দিন।’ মহিলা বললেন, ‘অসম্ভব’। আমি বললাম, ‘গত সপ্তাহে আপনারা এ কাজটিই করেছেন।’

৩৬. ডাক্তার বললেন, আমি আর ছয় মাস বাঁচব। আগামী ছয় মাসে বিলের টাকা দিতে পারব না শুনে বললেন, ছয় মাস নয়, এক বছর বাঁচবেন।

৩৭. ডাক্তার বললেন, ‘আপনি ৬০ বছর বাঁচবেন।’ আমি বললাম, ‘এখনই আমার বয়স ৬০।’ ডাক্তার খুশি হয়ে বললেন, ‘বলেছিলাম না?’

৩৮. ভিখারি বলল, ‘সারা সপ্তাহ খাবারের স্বাদ পাইনি।’ উত্তর এল, ‘চিন্তা কোরো না, খাবারের স্বাদ এখনো আগের মতোই আছে।’

৩৯. ছেলে: বাবা, ইডিয়ট কাকে বলে?

বাবা: ইডিয়ট হলো সেই সব বোকা ব্যক্তি যারা নিজেদের বক্তব্য এত বেশি প্রলম্বিত করে যে কেউ তার কথা বুঝতে পারে না। বুঝতে পেরেছ?

ছেলে: না।

৪০. একজন এসে পুলিশকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি কি এখানে গাড়িটা পার্ক করতে পারি?’

—না

—তাহলে এই গাড়িগুলো এখানে কেন?

—তারা কেউ এখানে গাড়ি পার্ক করতে পারবে কি না জিজ্ঞেস করেনি।

৪১. যে চিন্তাশক্তি দিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করা হয়, সেই একই চিন্তাশক্তি দিয়ে তা সমাধান করা যায় না।

৪২. আমি ৪৯ বছর ধরে একজন নারীকেই ভালোবাসছি। আমার স্ত্রী জানতে পারলে অবশ্য আমাকে খুন করবে।

৪৩. আমাদের বিয়েটা টিকে থাকার একটি রহস্য আছে। আমি আর আমার স্ত্রী সপ্তাহে দুই দিন রেস্টুরেন্টে গিয়ে ভালো খাবার খাই আর ওয়াইন পান করি। আমি সোমবারে যাই আর আমার স্ত্রী যায় মঙ্গলবারে।

৪৪. ব্রেকফাস্টের আগে যে জিনিস দুটো কখনোই খাওয়া সম্ভব নয়, সেগুলো হলো লাঞ্চ আর সাপার।

৪৫. তুমি একটা ইলেকট্রিক ব্লেন্ডার, একটা ইলেকট্রিক টোস্টার এবং একটা ইলেকট্রিক ব্রেড মেকার কিনে বললে, ‘ওফ! বাসায় এত জিনিস! আমি বসব কোথায়?’ পরদিন আমি একটা ইলেকট্রিক চেয়ার কিনে আনলাম।

৪৬. এক বিশালদেহী লোক আমাকে বলল, ‘আমি ১০ ডলার বাজি ধরে বলতে পারি যে তুই মারা গেছিস।’ আমি তার সঙ্গে বাজি ধরতে সাহস পেলাম না।

৪৭. হাতুড়ির সবচেয়ে নিরাপদ ব্যবহার হলো, পেরেকটা অন্য কাউকে ধরতে দেওয়া।

৪৮. আমি আমার স্ত্রীকে বললাম, ‘স্বামী হলো ওয়াইনের মতো, যত পুরোনো ততই ভালো।’ পরদিন সে আমাকে সেলারে আটকে রাখল।

৪৯. প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত সমালোচনা আছে।

৫০. বাড়ির কাজ না আনার সবচেয়ে খারাপ অজুহাত হলো—আমি দেখে লেখার মতো কাউকে পাইনি।

৫১. আলোর বেগ তো সবাই জানে। অন্ধকারের বেগ কত?

৫২. যদি প্রথমবারে সফল না হও, তাহলে স্কাইডাইভিং তোমার কর্ম নয়।

৫৩. খবর: আত্মঘাতী এক লোক ভুল করে তার যমজ ভাইকে খুন করে ফেলেছে।

৫৪. স্ত্রীদের সঙ্গে তর্কের দুটি নিয়ম আছে। কোনোটিই কার্যকরী নয়।

৫৫. এক লোক লটারি জিতে টিকিট পেয়ে চীনে বেড়াতে গেছেন। এখন তিনি চীনেই আছেন। আরেকটি লটারির টিকিট জিতে দেশে ফিরতে চান।

৫৬. ধরুন, কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় তাঁর শরীরের বাঁ-পাশ পুরোটাই হারিয়েছেন। এখন তাঁর কী হবে?

—তিনি এখন ‘অল রাইট’।

৫৭. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায়ও কাজ করেন কেন? উত্তর: আরে, উনি তো পি.এম, এ এম নন।

৫৮. স্কুলে একজন বোকাকে কীভাবে চেনা যায়?

—শিক্ষক যখন বোর্ড মোছেন, সে তখন তার সব ক্লাসনোট কেটে দেয়।

৫৯. মা এবং স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য কী?

—একজনের কারণে তুমি কাঁদতে কাঁদতে পৃথিবীতে এসেছিলে, অন্যজনের কারণে তুমি সারা জীবন কাঁদবে।

৬০. স্ত্রী ও চুম্বকের মধ্যে পার্থক্য কী?

—চুম্বকের একটি পজিটিভ দিক আছে।

৬১. জনসংখ্যার বিস্ফোরণ বিষয়ে পড়াতে গিয়ে এক শিক্ষক বললেন, ‘আমাদের দেশে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন মহিলা একটি করে শিশুর জন্ম দেন।’

এক ছাত্র চিত্কার করে উঠল, ‘জলদি চল, তাঁকে খুঁজে বের করে এক্ষুনি থামাতে হবে।’

৬২. বাচ্চা ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো তার জন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করা।

৬৩. ৩৫-এর পর আমার কি আর বাচ্চা নেওয়া ঠিক হবে?

—না। ৩৫টা বাচ্চাই যথেষ্ট।

৬৪. পৃথিবীর স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একটি পজিটিভ দিক বলুন।

—এইচ আই ভি।

৬৫. দুজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার একসঙ্গে কীভাবে বড়লোক হতে পারে?

—একজন ভাইরাস লিখে, অন্যজন অ্যান্টিভাইরাস লিখে।

৬৬. গণিতের একটা বই আরেকটা বইকে কী বলে?

—তোমার কথা জানি না, কিন্তু আমার ভেতরটা সমস্যায় ভর্তি।

৬৭. আপনার স্ত্রী ড্রাইভিং শিখতে চাইলে তাঁর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না।

৬৮. এক ব্যক্তি মনোচিকিত্সকের কাছে গিয়ে বলল, ‘কেউ আমার কথা শোনে না’। মনোচিকিত্সক সঙ্গে সঙ্গে বললেন, ‘নেক্সট’।

৬৯. লোকটি এতই মোটা যে সে ছবি প্রিন্ট করে না, পোস্টার ছাপায়।

৭০. দুজন ড্রাইভার ট্রাক চালাচ্ছিল।

১ম ড্রাইভার: হায়। ব্রিজটা ২ দশমিক ৭ মিটার উঁচু আর আমাদের ট্রাকটা ৩ মিটার।

২য় ড্রাইভার: যা দোস্ত, কোনো সমস্যা নেই। আশপাশে কোনো পুলিশ নেই।

৭১. মেকানিক্যাল আর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে পার্থক্য কী?

—মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার অস্ত্র বানায় আর সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বানায় অস্ত্রের টার্গেট।

৭২. আমার স্ত্রী গতরাতে বলছিল, আমি নাকি তার কোনো কথাই মন দিয়ে শুনি না…নাকি…এ রকমই কিছু একটা… ঠিক মনে পড়ছে না।

৭৩. গতরাতে স্বপ্নে দেখলাম, আমি ১০ পাউন্ড ওজনের একটা হটডগ খাচ্ছি। সকালে উঠে দেখি আমার কোলবালিশটা নেই।

৭৪. টিচার: তোমার বাবা তোমাকে বাড়ির কাজ করতে সাহায্য করেছেন?

ছাত্র: না। পুরোটাই উনি করেছেন।

৭৫. সব বিয়েই সুখের। পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে থাকতে গিয়েই যত ঝামেলা শুরু হয়।

৭৬. অনেকেই চোখের বদলে মাথার ওপর চশমা পরে কেন? উত্তর: যার যেটা নষ্ট সে সেখানেই চশমা পরে।

৭৭. গত সপ্তাহে আমার সাইকিয়াট্রিস্টকে বললাম, ‘আমি আজকাল শুধু আত্মহত্যা করার কথা ভাবি।’ শুনে তিনি বললেন, ‘এখন থেকে অগ্রিম ফি নিয়ে আসবেন।’

৭৮. আমি অনেক বছর ধরে আমার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলিনি। আমি তার বক্তব্যে বাধা দিতে চাইনি।

৭৯. ব্যাচেলররা বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে বিবাহিতদের চেয়ে বেশি জানে, নইলে তারাও বিবাহিত হতো।

৮০. উড়োজাহাজের পেছনের সারিতে বসার কারণ দুটি। এক. হয় আপনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। দুই. আপনি আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচিত হতে চান।

৮১. অভিজ্ঞতা যে কোনো কাজে লাগে না তার প্রমাণ হলো, মানুষ একটা প্রেম শেষ হওয়ার পরও আরেকবার প্রেমে পড়ে।

৮২. তিনি খুব অল্প কথার মানুষ। তাই না?

—হ্যাঁ, সারা সকাল ধরে সেই কথাটাই তিনি বোঝালেন।

৮৩. একটি চালাক ছেলে তার পছন্দের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিল এভাবে—সে মেয়েটিকে নিয়ে নৌকায় উঠল। নৌকাটি মাঝনদীতে যাওয়ার পর মেয়েটিকে বলল, ‘তুমি যদি আমার প্রস্তাবে রাজি না হও তাহলে এক্ষুনি নৌকা ছেড়ে চলে যাও।’

৮৪. একটি পরিচ্ছন্ন ডেস্ক একটি এলোমেলো ড্রয়ারের প্রতীক।

৮৫. স্বামীর কাছে আরও বেশি স্বাধীনতা দাবি করায় স্বামী মিস্ত্রি ডেকে রান্নাঘরটা বড় করে দিলেন।

৮৬. একটা ফোন এল ৭৭৭৭৭৭৭৭ নম্বরে, ‘হ্যালো, এটা কি ৭৭৭৭৭৭৭৭? প্লিজ, আমাকে একটা ডাক্তার ডেকে দিন না। আমার আঙুল ফোনের ডায়ালে আটকে গেছে।’

৮৭. দোকানদারের কাছে অদৃশ্য কালি চাইতেই দোকানদার বলল, ‘কী রঙের দেব বলুন।’

৮৮. উনি এত কৃপণ যে চিনির কৌটায় কাঁটাচামচ ব্যবহার করেন।

৮৯. পেটে প্যাঁচঅলা এক লোক ভুলে পেরেক খেয়ে ফেলায় সেটি স্ক্রু হয়ে বেরিয়েছিল।

৯০. ভোট অন্যতম নাগরিক অধিকার, যা প্রয়োগে অধিকাংশ সময়েই নাগরিকদের কোনো অধিকার অর্জিত হয় না।

৯১. ছেলে: মা, রূপকথার গল্প সব সময় ‘এক দেশে ছিল এক’ দিয়ে শুরু হয় কেন?

মা: না, সব সময় না। মাঝে-মধ্যে অফিসের কাজে আটকে গেছি, আজ ফিরতে একটু রাত হবে দিয়েও শুরু হয়।

৯২. রেস্তোরাঁর মালিক: ওয়েটার, আজ খদ্দেরদের সঙ্গে একটু ভালো ব্যবহার করবে, কারণ আজকের ভাতের তলা ধরে গেছে, পোড়া গন্ধ।

৯৩. আমি সব সময় ওর হাত ধরে থাকি। কারণ, হাত ছাড়লেই সে কেনাকাটা করতে যায়।

৯৪. আমাদের বাসার রান্নাঘরটা এত ছোট যে ওখানে কনডেন্সড মিল্ক খেতে হয় আমাদের! এমনি দুধ খাওয়া যায় না।

৯৫. এক তরুণ রাস্তায় এক তরুণীর পথ রোধ করে বলল, কিছু মনে করবেন না। আমি একটা টেলিফোন ডিরেক্টরি লিখছি, আপনার নম্বরটা যদি দয়া করে দিতেন…।

৯৬. রাজনীতির প্রথম কথা হচ্ছে, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।

৯৭. বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জনৈক নেতা মাত্র চার ঘণ্টার জন্য অনশন পালন করেন। তাঁর অনশন শুরু হয়েছিল সকালে নাশতা খাওয়ার পর এবং অনশন ভাঙেন মধ্যাহ্নভোজনের আগে আগে।

৯৮. আপনার একটি ফোন থাকলে সেটি প্রয়োজনীয়তা, দুটি ফোন থাকলে সেটি বিলাসিতা, আর কোনো ফোনই যদি না থাকে তাহলে আপনি স্বর্গে বসবাস করছেন।

৯৯. নির্বাচন হচ্ছে গণতান্ত্রিক-ব্যবস্থার একটি চমত্কার উদার দিক, যেখানে সবাই মিলে ঠিক করে কে কে তাদের শোষণ করবে।

১০০. কারচুপি একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শব্দ, পরাজিত দলের ভাষ্যমতে যা স্থূল ও সূক্ষ্মরূপে জয়ী দল করে থাকে।

স্যার : তুমি বড় হয়ে কী করবে?
ছাত্র : বিয়ে।
স্যার : আমি বোঝাতে চাইছি, বড় হয়ে তুমি কী হবে?
ছাত্র : জামাই।
স্যার : আরে আমি বলতে চাইছি, তুমি বড়
হয়ে কী পেতে চাও?
ছাত্র : বউ।
স্যার : গাধা, তুমি বড় হয়ে মা- বাবার জন্য
কী করবে?
ছাত্র : বউ নিয়ে আসব।
স্যার : গর্দভ, তোমার মা-বাবা তোমার
কাছে কী চায়?
ছাত্র : নাতি-নাতনি।
স্যার : ইয়া খোদা!…তোমার জীবনের লক্ষ্য কী?
ছাত্র : বিয়ে।
স্যার অজ্ঞান…।

 

স্ত্রী : জানো আজ একটা বাজে জিনিস হয়েছে৷
স্বামি : কী?
স্ত্রী : আজ গোছল করে কাপড় বদলানোর সময় ভুলে সদর দরজা খোলা ছিল৷
স্বামি কী সর্বনাশ ৷ কোন সমস্যা হয়নিতো?
স্ত্রী : >সমস্যা হয়নি মানে৷ আমি কেবল ব্রা পরছি এমন সময় তোমার বন্ধু ঘরে ঢোকে! কি লজ্জার ব্যাপার বলতো?
স্বামি : তখোন তুমি কি করলা?(রাগত ও আশ্চর্য গলায়)
স্ত্রী : আমি আর কি করব৷ লজ্জায় ব্রা দিয়ে মুখ ঢাকলাম…………

 

.এক মহিলা ও দুধ ওয়ালার কথোপকথন………..

মহিলা দুধ ওয়ালা কেঃ ভাই দুধ দিন দিন এতো পাতলা হচ্ছে কেনো?

দুধ ওয়ালাঃ এটা আমাকে কেনো জিজ্ঞেস করতেছেন্? কোনো গাইনী ডাক্তার কে দেখান্।

 

চিন্টু আর চিন্টুর মা টিভি দেখছিল।

এমন সময় হঠাৎ করে টিভিতে ব্রা এর অ্যাড দেখালো।

চিন্টু তার মা কে সাথে সাথে জিজ্ঞাসা করলো মা ওগুলো কি?

চিন্টুর মাঃ ওগুলো বেলুন।

চিন্টুঃ কিন্তু এগুলো এত ছোটো আর বুয়ার এত বড় কেন?

চিন্টুর মাঃ তুমি বুয়ার গুলো কিভাবে দেখলা?

চিন্টুঃ যখনই বাবা তার বেলুনে বাতাস ভরছিল তখনি দেখেছি !

 

বল্টু স্কুল থেকে এসে আরাম খান কে বলছে, “বাবা, বাবা আজকে না স্কুলে এক নতুন ম্যাডাম আসছে। ম্যাডামটা না একটা মাল!!!
আরাম খান: চুপ কর বেয়াদব ম্যাডাম মায়ের মত।
বল্টুঃ হ্যাঁ , হ্যাঁ , খালি নিজের কথাই ভাব!!!

 

ছোট মেয়ে তার মাকে বলছে– জানো মা আপু না অন্ধকারেও দেখতে পায়।
মা — কেমন করে বুঝলি?
ছোট মেয়ে– প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়ার সময় যখন কারেন্ট চলে গেল তখন আপু না আমার স্যারকে বলছে এই তুমি আজ সেভ কর নাই ক্যান?

 

এক লোক দোকানে গেছে তার বৌয়ের জন্য বক্ষবন্ধনী কিনতে।

লোক: অনুগ্রহ করে আমার বৌয়ের জন্য একটা বক্ষবন্ধনী দেখান।

সেলস গার্ল : আপনার বৌয়ের সাইজ কতো?

লোক: তা তো ঠিক জানি না।

সেলস গার্ল :ঠিক আছে, আপনি আমার বুকে হাত দিয়ে অনুমান করুন।

লোক: জি মানে..ওর একটা পেন্টি ও লাগতো।

 

একজন মহিলা একটা বাচ্চা নিয়ে ডাক্তারের পরীক্ষাকক্ষে বসে আছে ডাক্তারের অপেক্ষায়।

কিছুক্ষন পর যুবক একজন ডাক্তার আসলেন, বাচ্চাটিকে পর্যবেক্ষন করলেন, ওজন নিলেন এবং মন্তব্য করলেন- বাচ্চাটির ওজন ঠিকমতো বাড়তেছে না।

তারপর তিনি জানতে চাইলেন বাচ্চাটিকে বুকের দুধ না কৌটার দুধ খাওয়ানো হয়।

বুকের দুধ খাওয়ানো হয়, মহিলা জবাব দিল।

ভালো কথা, আপনি আপনার বুকের কাপড় খুলেনতো, ডাক্তার আদেশ করলো।

মহিলা ডাক্তারের কথামত বুকের কাপড় খুলে রাখলো।

ডাক্তার মহিলার স্তনদুটো ভালো মত পর্যবেক্ষন করলেন, আস্তে আস্তে চাপলেন এবং বেশ খানিকটা সময় নিয়ে মেসেজও করলেন, তারপর কাপড় পরিধান করতে বললেন।

যা সন্দেহ করেছিলাম তাই, বাচ্চাটা সবসময় ক্ষুধার্ত থাকে করন আপনার বুক থেকে সে এক ফোটা দুধও পায় না, ডাক্তার সাহেব মন্তব্য করলেন।

আপনার পর্যবেক্ষনে খুশি হলাম, মহিলা জবাব দিল।

দুধ না পাবারই কথা কারন আমি আসলে বাচ্চাটির মা না, কুমারী খালা !!

 

_________________________________________________________________________________

Collected from NET